মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

একনজরে

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ । তৎকালীন সময়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ চারটি উরারংরড়হ এর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কার্যক্রম রাজধানী ঢাকা থেকে পরিচালিত হতো। এর প্রধান নির্বাহী ছিলেন উরৎবপঃড়ৎ বা জনশিক্ষা পরিচালক। প্রধান নির্বাহীর অধীনে অন্যান্য পদগুলো নিয়ন্ত্রিত ছিল (আঞ্চলিক উপ-পরিচালক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক, মহকুমা বিদ্যালয় পরিদর্শক) পরবর্তীতে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক পদটি জেলা শিক্ষা অফিসারের রূপ লাভ করে। একইভাবে মহকুমা বিদ্যালয় পরিদর্শক পদটি পরবর্তীত সময়ের প্রয়োজনে শিক্ষাকে গণমূখী করার লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৬৪টি জেলায়, জেলা শিক্ষা অফিস প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জেলা শিক্ষা অফিসার ও মহকুমা শিক্ষা কর্মকর্তা পদ দুটির সমন্বয়ে একটি পদ সৃষ্টি করা হয়, যা জেলা শিক্ষা অফিসার এর রূপ লাভ করে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার প্রয়োজনে ১৯৮৭সালে ৮টি অঞ্চলে/জোনে বিভক্ত করা হলে বৃহত্তর ময়মনসিংহে আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।

ময়মনসিংহের আঞ্চলিক অফিসটির প্রথম উপ-পরিচালক ছিলেন জনাব এ.এস.এম মুজাম্মিল হক
* বর্তমানে এটি ঘনসবুজ বৃক্ষরাজি বেষ্টিত সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (প্রাক্তন জমিদার বাড়ী যেতে প্রশস্ত গেইটের ডানপাশে তিনতলা ভবনটির দোতলায় অবস্থিত। এর বর্তমান উপ-পরিচালক জনাব আবু নূর, উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের আওতাধীন ০৬টি জেলা (ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, জামালপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল) রয়েছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহে মোট সরকারি স্কুল ৩১ টি, বেসরকারি স্কুল ২০৪৬টি, স্কুল এন্ড কলেজ ৫৯টি, কলেজ ২৬৭টি এবং মাদ্রাসা ১০৯৭টি। মাউশি, ময়মনসিংহ অঞ্চলের এই আঞ্চলিক অফিসটি সর্বমোট ৩৫০০টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ০৯টি আঞ্চলিক অফিস কর্তৃক এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter